h bajee বিশ্বাস করে যে গেমিং একটি বিনোদন — জীবিকা নয়। আমরা চাই আপনি সুস্থ, সচেতন ও আনন্দময়ভাবে খেলুন। আপনার সুরক্ষায় আমরা সর্বদা পাশে আছি।
দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক জমার সীমা নির্ধারণ করুন।
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন।
বিরতি নিন — ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত।
নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হারলে স্বয়ংক্রিয় বিরতি।
নিয়মিত বিরতিতে আপনার খেলার সময় মনে করিয়ে দেওয়া।
বিশেষজ্ঞ সহায়তা দল সর্বদা আপনার পাশে।
h bajee-তে আমরা বিশ্বাস করি যে অনলাইন গেমিং একটি বিনোদনমূলক কার্যক্রম — এটি কখনো আর্থিক সমস্যার সমাধান বা আয়ের উৎস হওয়া উচিত নয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে আমাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন — কিন্তু সবসময় সচেতনভাবে।
দায়িত্বশীল গেমিং মানে হলো নিজের সীমা জানা, বাজেট নির্ধারণ করা এবং গেমিংকে জীবনের একটি ছোট অংশ হিসেবে রাখা। h bajee আপনাকে এই সীমা বজায় রাখতে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম ও সেবা প্রদান করে।
মনে রাখবেন — জুয়া খেলায় জেতার কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিটি গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ এলোমেলো এবং পূর্ববর্তী ফলাফল ভবিষ্যতের ফলাফলকে প্রভাবিত করে না। তাই শুধুমাত্র সেই অর্থ দিয়ে খেলুন যা হারালেও আপনার দৈনন্দিন জীবনে কোনো প্রভাব পড়বে না।
h bajee আপনাকে গেমিং অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়। নিচের সরঞ্জামগুলো আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে যেকোনো সময় সক্রিয় করা যাবে।
আপনি দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জমার পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারবেন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। সীমা বাড়াতে চাইলে ৭ দিনের অপেক্ষা করতে হবে — কিন্তু কমানো তাৎক্ষণিক।
নির্দিষ্ট সময়কালে সর্বোচ্চ কত টাকা হারাতে রাজি আছেন তা আগেই ঠিক করুন। সেই সীমায় পৌঁছালে h bajee স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার গেমিং সেশন বন্ধ করে দেবে এবং আপনাকে সতর্ক করবে।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তা নির্ধারণ করুন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট করা হবে। এটি অতিরিক্ত সময় ব্যয় রোধ করার একটি কার্যকর উপায়।
যদি মনে হয় একটু বিরতি দরকার, তাহলে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত টাইম-আউট নিন। এই সময়ে আপনি লগইন করতে পারবেন না বা কোনো বাজি ধরতে পারবেন না। বিরতি শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হবে।
যদি মনে করেন গেমিং আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তাহলে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত স্ব-বর্জন করুন। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকবে এবং মেয়াদ শেষের আগে পুনরায় সক্রিয় করা যাবে না।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিটে একটি বিজ্ঞপ্তি পাবেন যা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে কতক্ষণ ধরে খেলছেন এবং কত টাকা জিতেছেন বা হারিয়েছেন। এটি সচেতনতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
গেমিং আসক্তি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। নিচের লক্ষণগুলোর মধ্যে যদি কোনোটি আপনার মধ্যে দেখতে পান, তাহলে সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে। এটি দুর্বলতার লক্ষণ নয় — বরং সচেতনতার প্রমাণ।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে করুন। যদি বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আপনার গেমিং অভ্যাস পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে।
যদি মনে হয় গেমিং আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাহলে একা মোকাবেলা করার চেষ্টা করবেন না। h bajee-র সহায়তা দল এবং পেশাদার পরামর্শদাতারা আপনাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত।
বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা এবং আসক্তি পরামর্শ সেবা পাওয়া যায়। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে খোলামেলা কথা বলুন। মনে রাখবেন — সমস্যা স্বীকার করাই সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ।
গেমিং সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা বিচার না করে, সহানুভূতির সাথে আপনাকে সাহায্য করব।
সাড়া দেওয়ার সময়: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে (বাংলাদেশ সময়)
h bajee কঠোরভাবে ১৮ বছরের কম বয়সী কাউকে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে দেয় না। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক এবং সন্দেহজনক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিচয় যাচাই করা হয়।
অভিভাবকদের প্রতি আমাদের অনুরোধ — আপনার সন্তান যদি আপনার ডিভাইস ব্যবহার করে, তাহলে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। আপনার লগইন তথ্য সন্তানের কাছ থেকে সুরক্ষিত রাখুন।
যদি জানতে পারেন যে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক h bajee ব্যবহার করছে, অনুগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে [email protected]-এ জানান। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
আমরা গেমের ফলাফল, জেতার সম্ভাবনা এবং ঝুঁকি সম্পর্কে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। কোনো লুকানো তথ্য নেই।
প্রতিটি খেলোয়াড়ের পরিস্থিতি আলাদা। আমরা ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি সমস্যার সমাধান করি।
আমরা নিয়মিত আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম ও নীতি উন্নত করি খেলোয়াড়দের মতামতের ভিত্তিতে।
h bajee-তে নিরাপদ ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা নিন। আমাদের সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করুন এবং সীমার মধ্যে থেকে খেলুন।